Error. Page cannot be displayed. Please contact your service provider for more details. (15)

ভারতের সঙ্গেও সমুদ্র জয়

2ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাবি অনুসারে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমুদ্রসীমা ভাগাভাগির পক্ষে রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক শালিসি আদালত। এর ফলে বিরোধপূর্ণ প্রায় ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ১৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা যোগ হলো বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানায়। বাংলাদেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি সমুদ্রসীমা নিয়ে আর কোনো সংশয় থাকল না। তবে তালপট্টি দ্বীপ যে স্থানটিতে ছিল সেটি এখন রায় অনুসারে ভারতের অংশে চলে গেছে।বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার সুনিশ্চিত হলো। সোমবার নেদারল্যান্ডসের হেগে স্থায়ী শালিসি ট্রাইব্যুনালের এ রায় গতকাল প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রায় প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বলেছেন, এ জয় বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের জনগণের। কেননা তিন দশকের বেশি সময় ধরে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে থাকা বিভেদের কারণে উন্নয়নের যে বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল আইনের মাধ্যমে তার শান্তিপূর্ণ সমাধান হলো। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো সুযোগ নেই। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মামলায় বাংলাদেশের এজেন্ট ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আজ আমাদের আনন্দের দিন। ন্যায্যতার জয় হয়েছে। সব পক্ষের জয় হয়েছে। এটা উইন উইন সিচুয়েশন। আমাদের যা দরকার আমরা তা পেয়েছি। প্রতিবেশী দেশও তাদের যা পাওয়ার তা পেয়েছে।’সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশের বিরোধ ছিল দুই প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় আন্তর্জাতিক আদালতে যায় তিন দেশ। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আলোচনা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। দীর্ঘ সময়ে কয়েকটি বৈঠক হলেও সমাধান না পেয়ে ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক আদালতে যায় বাংলাদেশ। সেখানেও সমঝোতা না হওয়ায় ২০১১ সালের মে মাসে বিষয়টি হেগের আদালতে গড়ায়, হয় শুনানি ও যুক্তি উপস্থাপন। এর মধ্যে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে মামলায় বাংলাদেশের ন্যায্যতার দাবির পক্ষেই রায় দিয়েছেন জার্মানির হামবুর্গের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ফর ল অব সির বিচারকরা। এবার ভারতের সঙ্গে বিরোধের রায় হলো। বঙ্গোপসাগরের সীমা, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মহীসোপানের তলদেশে সার্বভৌম অধিকার নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের দাবির দীর্ঘ শুনানি শেষে নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী শালিসি আদালত বা পার্মান্যান্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন (পিসিএ) সোমবার রায়ের অনুলিপি দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের কাছে হস্তান্তর করেন। সেদিন রায় ঢাকায় পাঠানো হয়। কিন্তু আদালতের নির্দেশ ছিল ২৪ ঘণ্টার আগে রায় প্রকাশ না হয়েছে রায়। এতে দেখা যায়, ট্রাইব্যুনালের পাঁচ বিচারকের মধ্যে পেমারাজু শ্রীনিবাস রাও ভিন্নমত পোষণ করলেও বিচারকমণ্ডলীর সভাপতি রুডিগার উলফ্রাম, টমাস এ মেনসাহ, আইভান শিয়ারার ও জ্যঁ-পিয়েরে কৎয়ের মতামত অনুসারে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিরোধ মীমাংসা করেছেন আদালত। স্বাধীনতার পর থেকেই চলে আসা এ বিরোধে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পশ্চিম তটে সমুদ্রসীমা শুরুর স্থান নিয়ে বিরোধে বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশের বলে ১৭৭ ডিগ্রি ৩০ মিনিট দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রায় প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, দ্য হেগের শালিসি ট্রাইব্যুনাল বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার সুনিশ্চিত করে বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল রায় দেন যে, সমদূরবর্তী পদ্ধতিতে দুই দেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করা হলে বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী তা ন্যায্যতা নিশ্চিত করে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রায়ের ফলে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি টেরিটোরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য ট্রাইব্যুনাল বিরোধপূর্ণ আনুমানিক ২৫ হাজার ৬০২ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা বাংলাদেশকে প্রদান করেছেন। মন্ত্রী জানান, শালিসি ট্রাইব্যুনালের রায় উভয় রাষ্ট্রের নিজ নিজ সমুদ্র সীমানা চিহ্নিত করে দিয়েছে যার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই। এ রায়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক শালিস আদালতে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সম্পর্কিত বাংলাদেশের মামলার পরিসমাপ্তি ঘটল। এখন থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপানে বাংলাদেশের অবাধ প্রবেশাধিকার সুরক্ষিত। গভীর সাগরে মাছ ধরা এবং সমুদ্রের তলদেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনে আমাদের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলো। এ রায়ের স্বচ্ছতা ও আইনগত নিশ্চয়তার ফলে বাংলাদেশের জনগণ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রসম্পদ ব্যবহার করে লাভবান হবে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ড. এইচ টি ইমাম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং মামলায় বাংলাদেশের এজেন্ট সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বাংলাদেশের ডেপুটি এজেন্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্র্তারা।এক বিচারকের ভিন্নমত : শালিসি ট্রাইব্যুনালে বিচারক হিসেবে ছিলেন জার্মানির রুডিগার উলফ্রাম (প্রেসিডেন্ট), ফ্রান্সের জ্যঁ-পিয়েরে কৎ, ঘানার টমাস এ মেনসাহ, অস্ট্রেলিয়ার প্রফেসর আইভান শিয়ারার এবং ভারতের ড. প্রেমারাজু শ্রীনিবাস রাও। বাংলাদেশের পক্ষে বৈদেশিক কৌঁসুলি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পল রাইখলার ও লরেন্স মার্টিন, যুক্তরাজ্যের প্রফেসর জেমস ক্রাফোর্ড, ফিলিপ স্যান্ডস অ্যান্ড এলান বয়েল এবং কানাডার প্রফেসর পায়াম আখাভান নিয়োজিত ছিলেন। ট্রাইব্যুনালের পাঁচ বিচারকের মধ্যে পেমারাজু শ্রীনিবাস রাও ভিন্নমত পোষণ করায় ৪-১ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিচারকমণ্ডলীর সভাপতি রুডিগার উলফ্রাম এবং টমাস এ মেনসাহ, আইভান শিয়ারার ও জ্যঁ-পিয়েরে কৎয়ের মতামত অনুসারে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিরোধ মীমাংসা করেছেন আদালত। একজন বিচারকের ভিন্নমত প্রসঙ্গে বাংলাদেশের এজেন্ট দীপু মনি বলেন, সমুদ্রসীমা শুরুর ‘বেস লাইন’ নিয়ে ওই বিচারকের কোনো মতভিন্নতা ছিল না; তিনি তিনটি বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে বলেন ১৭৭ ডিগ্রি ৩০ মিনিট লাইন টানা হলে তা ভারতের জন্য ন্যায্যতা হবে না। দীপু মনি বলেন, ওই বিচারক ভিন্নমত দেওয়ায় তা নোট অব ডিসেন্ট হিসেবে থেকে গেছে, যদিও তা রায়ে কোনো প্রভাব ফেলবে না, কারণ বিষয়টা তো সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে অনুমোদন হয়েই গেছে।রেড ক্লিফের ম্যাপ অনুসারেই হলো সীমানাবিন্দু : সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধের প্রধান বিষয় ছিল দুই দেশের জলসীমা শুরুর স্থান নির্ধারণ। এ ছাড়া ভূমিরেখার মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রে রেখা টানার পদ্ধতি নিয়েও মতবিরোধ ছিল। বাংলাদেশের দাবি ছিল, বঙ্গোপসাগর ও ভূমির মূলবিন্দু থেকে সমুদ্রের দিকে ১৮০ ডিগ্রির সোজা রেখা যাবে। তবে ভারত বলে, সমুদ্রতট বিবেচনায় এ রেখা হবে ১৬২ ডিগ্রি থেকে। এ ক্ষেত্রে সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদের মুখে ‘দক্ষিণ তালপট্টি’ দ্বীপটি একসময় বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা শুরুর বিন্দু হলেও ওই দ্বীপটি আশির দশকে সমুদ্রে তলিয়ে যায়। ফলে এখন আর ওই দ্বীপটি না থাকায় হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদের মিলিত সে াত যেখানে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে, সেই স্থানে দুই পাশের ভূখণ্ডের মধ্যরেখা অর্থাৎ নদীর মাঝখানে দুই দেশের সীমারেখা বিন্দু ধরা হয়েছে। মূলত, ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের সময়কার রেড ক্লিফের করা ম্যাপ অনুযায়ীই এখন সীমানাবিন্দু ধরা হলো। দুই পক্ষের দাবি বিবেচনা করে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে বলেছেন, ‘দুই দেশের সমুদ্রসীমা শুরু হবে ২১ ডিগ্রি ৩৮ মিনিট ৪০.২ সেকেন্ড উত্তর অক্ষাংশ, ৮৯ ডিগ্রি ৯ মিনিট ২০ সেকেন্ড পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে। তালপট্টির স্থানটি ভারতের : বহুল আলোচিত তালপট্টি এখন পানির নিচে হারিয়ে গেছে। তবে তালপট্টি যে স্থানটিতে ছিল সেটি এখন রায় অনুসারে ভারতের অংশে চলে গেছে। সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম জানান, আশি সাল থেকে বাংলাদেশের যত ম্যাপ ছিল তার কোনোটিতেই তালপট্টি বাংলাদেশের ছিল না। যদিও সর্বশেষ ২০১০ সালে আদর্শ ম্যাপ তৈরি করে আদালতে দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তা আমলে নেওয়া হয়নি। তবে তালপট্টির স্থানটি ভারতের হলেও নিচের দিকে বিশাল অংশ পেয়েছে বাংলাদেশ।ভারতকে অভিনন্দন : রায় প্রকাশ করে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনগত প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের বিরাজমান এ সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে ভারতের সদিচ্ছাকে এবং ট্রাইব্যুনালের রায় মেনে নেওয়ার জন্য আমরা ভারত সরকারকে সাধুবাদ জানাই।’ তিনি বলেন, এ রায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বিরাজমান সমস্যা অবশেষে আন্তর্জাতিক শালিসি ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী শান্তিপূূর্ণ সমাধান উভয় রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং সমুদ্রবিষয়ক ক্ষেত্রে সমঝোতা ও সহযোগিতার সম্পর্কে এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে।ভারতও খুশি : বঙ্গোপসাগরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমার বিবাদ নিয়ে নেদারল্যান্ডসের হেগের স্থায়ী শালিসি আদালত যে রায় দিয়েছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত সরকার। বিবিসি জানিয়েছে, তবে এই রায়ে কারা জয়ী, বা কারা পরাজিত তারা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি  দেশটির কেউ। দিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে শুধু বলা হয়েছে, বহু বছরের একটা অমীমাংসিত বিরোধের নিষ্পত্তি  শেষ পর্যন্ত হলো, তাতেই তারা খুশি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবর উদ্দিন বলেন, ‘এই রায়কে আমরা মর্যাদা দিচ্ছি। রায়টি খুঁটিয়ে পড়ার এবং রায়ের তাৎপর্য ঠিক কী, সেটা বোঝার প্রক্রিয়া এখনো চলছে। তবে তারপরও ভারত মনে করে, যেহেতু এ রায়ের মাধ্যমে বহু পুরোনো একটি দ্বিপক্ষীয় বিরোধের নিষ্পত্তি হলো, তা ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শুভেচ্ছাকেই সুদৃঢ় করবে।’

Leave a Reply

*

captcha *